প্রাণপণ ডেকেও আবু সাঈদ ভাইকে ফেরাতে পারিনি

 বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রংপুরে শিক্ষার্থীরা পুলিশ ও ছাত্রলীগকে হটিয়ে মহাসড়ক দখলে নেয়। সংঘর্ষে আহত আবু সাঈদ তাঁর হাতে লাগা রক্ত দেখছেন। 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রংপুরে শিক্ষার্থীরা পুলিশ ও ছাত্রলীগকে হটিয়ে মহাসড়ক দখলে নেয়। সংঘর্ষে আহত আবু সাঈদ তাঁর হাতে লাগা রক্ত দেখছেন। ১৬ জুলাই ২০২৪
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রংপুরে শিক্ষার্থীরা পুলিশ ও ছাত্রলীগকে হটিয়ে মহাসড়ক দখলে নেয়। সংঘর্ষে আহত আবু সাঈদ তাঁর হাতে লাগা রক্ত দেখছেন। ১৬ জুলাই ২০২৪ছবি: মঈনুল ইসলাম

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম আন্দোলন হয় ৩০ জুন। বাংলা বিভাগের শামসুর রহমান সুমন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের গোলাম শাওন, ইংরেজি বিভাগের মো. শফিকুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন প্রথম উদ্যোগী হয়ে আন্দোলনের ডাক দেয়।

এ সময় বাংলা বিভাগের আয়োজনে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার চলছিল। সেমিনারে অংশ নেওয়ায় প্রথম দিনের আন্দোলনে যুক্ত হতে পারিনি। ১ জুলাইয়ের আন্দোলনে আবু সাঈদ ভাইসহ যুক্ত হই আমরা অনেকে। সেদিন গণমাধ্যমকে আমি জানাই, ‘যখন আমাদের ব্যস্ত থাকার কথা শিক্ষা-গবেষণা-খেলাধুলায়, সেখানে কোটাব্যবস্থার পুনর্বহাল আমাদের একটি ভাত দে টাইপের আন্দোলনের দিকে ঠেলে দিয়েছে।’

জুলাইয়ের শুরু থেকে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন যখন বড় হচ্ছে, তখন আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারীদের মধ্যে ছাত্রলীগের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ করি। তারা মূলত আন্দোলনের গতিপথ নির্ধারণ করে দিচ্ছিল। তবে ৭ জুলাইয়ের একটি ঘটনা সব ঘুরিয়ে দেয়।

Post a Comment

Previous Post Next Post